১।কাপড়, কাগজ, কাঠে আগুন ধরে কিন্তু চিনিতে কি আগুন ধরে?
এটি করতে দরকার: একটি চিনির কিউব দেশলাই বাক্স সিগেরেটের ছাই
চিনির কিউব টাকে ছাই এ বেশ কবার ঘষে দেশলাই ফস করে জ্বেলে দিলেই সঙ্গে সঙ্গে জ্বলে উঠবে চিনির কিউব!
কেন হয়েছে: সিগেরেটের ছাই ছিলো বলে চিনিতে আগুন ধরেছে।আর ছাই এখানে প্রভাবক হিসাবে কাজ করেছে। ছাই না থাকলে আগুন জ্বলতই না।
২।গোপন লেখা: কাঁচ আয়না বা অন্য যে কোনো জায়গায় একটা ভিজা কাগজ রাখুন।এবার ভিজা কাগজের উপরে রাখুন আরেকটা শুকনো কাগজ।এখন শুকনো কাগজের উপর বলপয়েন্ট কলম বা শক্ত পেন্সিল হাতে খুব জোর দিয়ে গোপন লেখাটি লিখুন।এবার উপরের শুকনো কাগজটি ফেলে দিয়ে ভিজা কাগজ টি শুকিয়ে নেন, দেখবেন নিচের কাগজে আপনার গোপন লেখার কোনো চিহ্নই নেই।কিন্ত কাগজটি পানিতে ভাসিয়ে নিলেই লেখাটি আবার বের হয়ে আসবে।
কেনো হয়: গোপন লেখাটি যখন ভিজে কাগজে লেখা হয়েছিল তখন কাগজের সেই অংশটুকু খানিকটা চিপসে গিয়েছিল।পানিতে ভিজারে সেটা স্পষ্ট হয়ে উঠে,কারণ সে অংশ থেকে আলো প্রতিফলিত হয় একটু ভিন্ন ভাবে।
৩।গোপন খবর: প্রথেমে ভিনেগার,লেবুর রস বা পেয়াজের রস দিয়ে কাগজে কিছু একটা লিখে কাগজটা ভালো করে শুকিয়ে নিন।তখন এমনিতে দেখে আর বুঝা যাবে না এখানে কিছু লেখা আছে।কিন্তু গরম আগুনের কাছে কাগজটা ধরলেই লেখাটি বের হয়ে আসবে।
কেনো হয়:ভিনেগার,লেবুর রস বা পিঁয়াজের রস দিয়ে লেখার ফলে কাগজের ঐ অংশটুকু পুড়তে তুলনামুলক ভাবে কম তাপমাত্রা প্রয়োজন, তাই আগুনে কাছে ধরার পর কাগজের বাকি অংশ ঠিক থাকলেও লেখা অংশ টুকু পুড়ে গিয়ে গোপন লেখাটি বের করে দিবে
৪।লিটমাস কাগজ। লিটমাস কাগজ দিয়ে এসিড(যেমন:লেবুর রস) এবং এলকালি (যেমন চুন) পরীক্ষা করা হয়। লিটমাস কাগজ এসিডে চুবিয়ে দিলে সেটা হয় লাল। এলকালিতে চুবালে সেটা হয় নীল। আপনি নিজেও চাইলে এ কাগজ বানাতে পারবেন। একটা সাদা কাগজে কিছু লাল ফুল নিয়ে ভাল করে ঘসে কাগজটা রন্ঙিন করে নিন। সেটা চমৎকার লিটমাস কাগজ।
৫।একটা মোটা কিন্তু ছোট মোমবাতি একটা বাটির নিচে লাগিয়ে নিন। এবারে পানি ঢেলে মোমবাতিটি জ্বালিয়ে দিন। ভাবতে পারেন মোমবাতিটা একটু পরে নিভে যাবে কিন্তু আসলে নিভবে না।দেখবেন,মোমবাতিটা তার চারপাশে একটা মোমের দেওয়াল তৈরি করে তার ভিতরে জ্বলতে থাকবে।

