কিভাবে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখবেন


প্রতিদিনের ধুলো, ময়লা, রোদ ও বিভিন্ন ধরনের দূষন আমাদের মুখের ত্বককে স্পর্শকাতর করে তোলে। তাই ঘর থেকে বের হলে বা ঘরে ফিরে আসলে ত্বকের প্রয়োজন বাড়তি আর্দ্রতা। এতে ত্বক নরম, মসৃণ এবং উজ্জল থাকবে।

তৈলাক্ত ত্বকঃ

প্রথমে সোপফ্রি ফেসওয়াস দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। এরপর নরম তুলো দিয়ে সার্কুলার মুভমেন্টে ভাল করে ক্লিনজার লাগান। পরে আস্তে আস্তে ঘষুন। এতে করে ত্বকে জমে থাকা ধুলোবালি পরিষ্কার হয়ে যাবে। এছাড়া স্টীম নিতে পারেন। স্টীম আপনার ত্বকে জমে থাকা ব্ল্যাকহেডস দূর করতে সাহায্য করে। এরপর গ্লিসারিন, গোলাপ জল/মধু, লেবুর রস সমপরিমানে মিশিয়ে ফ্রিজে রাখুন। গরমে তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এটা ভাল ময়শ্চারাইজার। এটা মাইল্ড ব্লিচ হিসেবে কাজ করে। এতে ত্বকের ট্যান কেটে যাবে। এছাড়া আপেলের পেষ্টের সাথে মধু মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন।

শুষ্ক ত্বকঃ

প্রতিদিন মিল্ক ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। এতে করে ত্বকের মৃত কোষ ঝড়ে পড়বে এবং সাথে সাথে ত্বকের ভিতরে জমে থাকা ময়লাও দূর হবে। শুষ্ক ত্বকে টোনার ব্যবহার করা ঠিক না, কারন তা ত্বকের শুষ্কতা আরও বাড়িয়ে দেয়। ডিমের কুসুমের সাথে ২চামচ মধু, ১চামচ গ্লিসারিন মেশান। দু’চোখের চারপাশ বাদ দিয়ে পুরো মুখে মিশ্রনটি লাগান। প্রথমে গরম পানি দিয়ে এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। শুষ্ক ত্বকে অনেকসময় রেশ দেখা যায়,সেক্ষেত্রে দইয়ের সাথে অল্প কাঁচা হলুদ এবং নিমপাতা বাটা মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে আক্রান্ত জায়গায় লাগালে উপকার পাওয়া যাবে।

স্বাভাবিক ত্বকঃ

ময়শ্চারাইজিং সমৃদ্ধ ফেশওয়াস ব্যবহার করুন। এতে ত্বক থাকবে সতেজ ও উজ্জ্বল। হালকা গরম পানিতে গোলাপ জল মিশিয়ে স্টীম নিতে পারেন। দইয়ের সাথে মধু,গোলাপ জল মিশিয়ে ১৫ মিনিট মুখে রাখুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। স্বাভাবিক ত্বকের জন্য কলা খুব ভাল ময়শ্চার মাস্ক। কলা,মধু, দুধ, দুধের সর মিশিয়ে মুখে লাগান। কিছুক্ষন পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনার ত্বককে আরও উজ্জ্বল ও প্রানবন্ত করবে।

রাতে শোবার আগে মুখ ভাল করে পরিষ্কার করে ভাল কোন ব্র্যান্ডের নাইট ক্রীম লাগাতে ভুলবেন না। কারন এটা সারাদিনে আপনি আপনার ত্বকের যে আর্দ্রতা হারান তার ঘাটতি পূরণ করে।

Metal Set - Link Select